• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল বিভাগে খালেদার আবেদন

ঢাকা, ২৩ ডিসেম্বর।। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

রবিবার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, হাইকোর্টে খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার পাননি। এ কারণে প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়েছে। সোমবার এ বিষয়ে চেম্বার আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না খালেদা জিয়া।

নির্বাচনে অংশ নিতে তিনটি রিটের শুনানি শেষে গত ১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট তৃতীয় বেঞ্চ খারিজ করে দেন।

এর আগে খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা রিট আবেদনের ওপর গত ১১ ডিসেম্বর দ্বিধাবিভক্ত আদেশ দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ দ্বিধাবিভক্ত এ আদেশ দেন। যার ফলে মামলাটির নথি প্রধান বিচারপতির কাছে যায়।

এরপর মামলাটি শুনতে বিচারপতি জে বি এম হাসানের একক বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি। কিন্তু এই আদালতে খালেদা জিয়ার আইনজীবী শুনানি করতে অনাস্থা প্রকাশ করলে আদালত তা লিখিতভাবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনে আপিলের শুনানির পর সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার তিনটি আসনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশনের চার কমিশনার এ সিদ্ধান্ত দেন। শুনানিতে প্রার্থিতা বহালের পক্ষে শুধু মত দেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।

পরে প্রার্থিতা বাতিল করা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত ও নির্বাচন কমিশনের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়ার পক্ষে ৯ ডিসেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় তিনটি রিট দায়ের করা হয়।

খালেদা জিয়া বগুড়া-৬ ও ৭ এবং ফেনী-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু দুটি মামলায় দণ্ডিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাঁর মনোনয়নগুলো বাতিল করে দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ